থাইংখালী বিট কর্মকর্তার নেতৃত্বে সরকারি বনে নির্মিত হচ্ছে বহুতল ভবন

pic-ukhiya-1.jpg

উখিয়া ক্রাইম নিউজ ডেস্ক::

মিয়ানমার থেকে বলপূর্বক বাস্তচ্যুত প্রায় ৮ লাখ রোহিঙ্গা ৫ হাজার একর বনভুমিতে আশ্রয় নেওয়ার পরেও প্রায় ১০ হাজার একর বনভুমি রয়েছে। যেসব বনভুমি সংরক্ষন করার দায়িত্বভার ন্যাস্ত রয়েছে বনবিট কর্মকর্তার উপর। অথচ বনবিট কর্মকর্তা শতশত একর বনভুমি দখল হস্তান্তর করে লাখ লাখ টাকা পকেটস্থের মাধ্যমে রোহিঙ্গা ইস্যুতে পার পেয়ে যাচ্ছে বলে স্থানীয় প্রত্যক্ষদর্শীরা জানিয়েছেন।
রোববার ঘটনাস্থল উখিয়া রেঞ্জের থাইংখালী বনবিটের ঘোনার পাড়া ও তেলখোলা এলাকায় স্থানীয় বনবিট কর্মকর্তা শহিদুল ইসলাম, বন মুন্সী ছালেক ও তেলখোলা এলাকার হেডম্যান আবুল হাশেম এর সহযোগিতা ও মোটা অংকের অর্থের বিনিময়ে সরকারি বনভুমিতে নির্মিত হচ্ছে একের পর এক বহুতল ভবন।
তেলখোলা এলাকার বাসিন্দা আবু ছিদ্দিক জানান, সাপ্তাখানিক আগে হেডম্যান আবুল হাশেম, বিট কর্মকর্তা শহিদুল ইসলাম ও মুন্সী ছালেক মালেশিয়া প্রবাসী আহম্মদ হোসনের পরিবার থেকে মোটা অংকের টাকা নিয়ে ঢাকায় বন মামলার স্বাক্ষীতে যাবে বলে চলে গেছে বিট অফিসার। অপর দিকে তেলখোলা কলাবাজার এলাকা থেকেও হেডম্যান বাউনু চাকমার নেতৃত্বে এলাকার চিহ্নিত ভুমিদস্যু থাইংখালী গ্রামের মৃত আব্দুর রহমানের ছেলে নুরুল আলমের নিকট থেকে মোটা অংকের টাকা নিয়ে বিশাল স্থাপনা নির্মানে সহযোগিতা করে আসছে বিট কর্মকর্তা শহিদুল ইসলাম প্রকাশ সাদু শহিদ। এছাড়াও ওই এলাকায় সরকারি বনে ভেঙ্গের ছাতারমত নির্মিত হচ্ছে একের পর এক স্থাপনা।
ঘটনাস্থলে উপস্থিত স্থানীয় বেশ কয়েকজন গ্রামবাসী জানান, বনবিট কর্মকর্তাদের টাকা দিলে সরকারি বনে বহুলতল ভবন নির্মান করলেও কোন সমস্যা নেই। টাকা না দিলে একটু হুমকি ধমকি দিয়ে থাকে আরকি। বিট কর্মকর্তা শহিদুল ইসলাম ঘটনার সত্যতা স্বীকার করলেও টাকা নেওয়ার কথাটি বারবার অস্বীকার করে বলেন, মনে মুন্সী ছালেক বা হেডম্যানরা নিতে পারে।
উখিয়া রেঞ্জের রেঞ্জ কর্মকর্তা গাজী শফিউল আলম সবেমাত্র রেঞ্জ অফিসার হিসাবে দায়িত্ব নিয়েছি, তদন্তপূর্বক ভুমিদস্যুদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়া হবে বলে তিনি জানান।

Share this post

scroll to top