উখিয়ার ওয়ালা বিট কর্মকর্তার নিরব চাঁদাবাজী কে থামাবে?

pic-ukhiya23.jpg

মোঃ শহিদ, উখিয়া ::

কক্সবাজার দক্ষিন বন বিভাগের উখিয়া রেঞ্জের সর্বত্রে চলছে পাহাড় কাটা, সরকারি বনভুমিতে স্থাপনা নির্মান, সরকারি বনভুমি বেছাÑ বিক্রি, বালি পাচার, অবৈধ করাতকল বেপরোয়া ভাবে চলেলও নিরব দর্শকের ভুমিকায় রয়েছে উখিয়ার বন প্রশাসন।
স্থানীয়দের অভিযোগ, ওয়ালা বনবিট কর্মকর্তা বজলুর রশিদ নামে ওয়ালা বিট কর্মকর্তা থাকলেও তিনি রেঞ্জের সর্বত্রে পাহাড়, কাটার সাথে জড়িত ডাম্পার মালিক, বালি পাচার সিন্ডিকেট, সরকারি বনে অবৈধ স্থাপনা নির্মান ও করাতকল মালিকদের সাথে আতাঁত করে প্রতি মাসে লাখ লাখ টাকা হাতিয়ে নিলেও দেখার কেউ নেই।
স্থানীয় পরিবেশবাদীদের অভিযোগ, বিতর্কিত বিট কর্মকর্তা বজলুর রশিদের বিরুদ্ধে বিভাগীয় তদন্ত কমিটি গঠন করে তদন্তপূর্বক তাকে আইনের আওতায় নিয়ে আসা জরুরী। অন্যতায় উখিয়া বন রেঞ্জের বনভুমির কোন চিহ্ন বলে কিছু থাকবেনা।
বৃহস্পতিবার সকালে সরজমিন উত্তর পুকুরিয়া এলাকার বেশ কয়েকজন লোকের সাথে কথা বলে জানা গেছে, রাজাপালং ইউনিয়নের উত্তর পুকুরিয়া এলাকার মৃত হাজী ইউছুপ আলীর ছেলে চিহ্নিত ভুমিদস্যু শফি আলম (৩৫),রফিদ আলম (৩৩), নুরুল আলম (২২)সহ শীর্ষরা স্থানীয় বন বিভাগ ও পরিবেশ আইনকে বৃদ্ধাঙ্গুলি ও ক্ষমতার দাপট দেখিয়ে দিবারাত্রি ডাম্পার যোগে মাটি পাচার করে হাতিয়ে নিচ্ছে লাখ লাখ টাকা। কিন্তু দেখার কেউ নেই।
ভুমিদস্যু শফি আলম জানান, আমরা বিট কর্মকর্তাকে টাকা দিয়ে পাহাড় কেটে ডাম্পার যোগে মাটি পাচার করে যাচ্ছি। টাকা দিলে এদেশে সব কিছু করা সম্ভব। তাই বন বিভাগ নিয়ে মাথা ব্যাথা নেই।
শুধু তাই নয়, উক্ত পাহাড় কাটার বিষয়ে পরিবশেবাদী ফরিদ আলম বাদী হয়ে উল্লেখিতদের আসামী করে সহকারী কমিশনার (ভুমি) ও নির্বাহী ম্যাজিষ্ট্রেট আমিমুল এহসান খান ও উখিয়া থানার অফিসার ইনর্চাজ বরাবরে লিখিত অভিযোগ দায়ের করেছেন বলে ফরিদ আলম বিষয়টি নিশ্চিত করেন।
এ ব্যাপারে সহকারী কমিশনার (ভুমি) আমিমুল এহসান খান বলেন, পাহাড় কাটার সাথে জড়িতদের বিরুদ্ধে দ্রুত ব্যবস্থা নেওয়া হবে বলে তিনি জানান।
উয়ালা বন বিট কর্মকর্তা বজলুর রশিদ বলেন, ছুপ থাকেন ভাই, এ গুলো নিয়ে আপনি মাথা ঘামায়েন না।

Share this post

scroll to top